তাওহীদ শিক্ষা
তাওহীদ শিক্ষাঃ ইসলামে সর্বাধিক বড় বিষয় হল (আল্লাহ্র তাওহীদ বা একত্ববাদ) আর সবচাইতে নিকৃষ্ট বিষয় হচ্ছে (আল্লাহ্র সাথে শির্ক বা অংশী স্থাপন করা)।
মুসলিম বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহ্ই একমাত্র রব পালনকর্তা। তিনিই এককভাবে সৃষ্টিকারী, জীবিকা দানকারী, কর্তৃত্বকারী, অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞানী, জীবন-মরণের অধিকারী তথা জগতের সার্বিক তত্বাবধান একমাত্র তাঁর হাতে। তাঁর সাথে কোন অংশীদার নেই।
এমনিভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে, আল্লাহ্র শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্বে কোন অংশী নেই। তিনি কাউকে জম্ম দেননি, তিনি কারো থেকে জম্ম গ্রহণও করেন নি। তাঁর সত্বা, নাম, গুণাবলী ও কর্মে কোন সদৃশ্য নেই।
মুসলিমদের বিশ্বাস
মুসলিম বিশ্বাস করে যে, আল্লাহ্ই এককভাবে দাসত্ব পাওয়ার অধিকারী। সুতরাং সিজদা, কুরবানী প্রভৃতি দ্বারা আল্লাহ্ ছাড়া আর কারো নৈকট্য কামনা করা যাবে না।
আল্লাহ্ ছাড়া কারো কাছে দুআ (প্রার্থনা) করবে না- তার মর্যাদা শ্রেষ্ঠত্ব যাই হোক না কেন। আরো বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহ্ ছাড়া কেউ কোন ধরণের কল্যাণ-অকল্যাণের মালিক নয়- হোক তিনি নবী বা কোন যাদুকর বা জ্যোতির্বিদ। বা হোক তা কোন তাবীজ বা নক্ষত্র বা কোন মৃত ব্যক্তি বা কেউ।
মুসলিম ব্যক্তি আল্লাহ্র ইবাদত মানুষকে দেখানোর জন্য করে না। আল্লাহ্র বিধান দ্বারা শাসন পরিচালনা ছেড়ে দিয়ে অন্যের বিধান গ্রহণ করে না। অথবা এও বিশ্বাস করে না যে, অন্যের বিধান আল্লাহ্র বিধানের সমপর্যায়ের। আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করে না। গাইরুল্লাহ্র দাসত্ব হয় এমনভাবে নাম রাখে না। যেমন- আবদুন্নবী (নবীর দাস), আবদুল হুসাইন (হুসাইনের দাস) প্রভৃতি নাম অবৈধ।

