শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল

কুরআন কে বুঝতে হবে আল্লাহ্‌ যেভাবে বুঝাতে চেয়েছেন সেই ভাবে

কুরআন কে বুঝতে হবে আল্লাহ্‌ যেভাবে বুঝাতে চেয়েছেন সেই ভাবে; আমি যেইভাবে বুঝব সেইটা হবে ভূল;

কুরআন এর উপকারিতা পেতে হলে কুরআন এর মত করে বুঝনিতে হবে;
কুরআন এর ভাষা বুঝার চেষ্টা করি;
আল্লাহ্‌ ও আল্লাহর কিতাব কুরআন সম্পর্কে আমাদের কোন সন্দেহ নাই;
যদিও আমরা মানিনা; আংশিক মানি;
কুরআন সম্পর্কে প্রথমেই আল্লাহ্‌ তিনটি অক্ষর দিয়েছেন যার অর্থ একমাত্র তিনিই জানেন। এটা যে আল্লাহর তরফ থেকে তারই প্রমান করে;
২ আয়াতে আল্লাহ্‌ বলেছনেঃ
“এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য,”
মানে কি দাড়াল? এই কিতাব তাদের পথ দেখাবে যারা পরহেযগার।

৩ নাম্বার আয়াতে আল্লাহ্‌ ঈমানের কথা বল্লেনঃ

“যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে “
এইবার আল্লাহ্‌ ৩টি শর্ত দিয়ে দিলেন; কিয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম, আল্লাহ্‌, ফেরেশতা ইত্যাদির উপর ঈমান আনা মানেই হলো অদেখার উপর ঈমান আনা; এর পরে নামায পরিতষ্ঠা করতে বলেছে নিজেত আদায় করবেই প্রতিষ্ঠা করতে হবে; এবং দান-খরাত করতে হবে।

এরপরের আয়াতে আল্লাহ্‌ বিশ্বাস এর কথাই বলেছেন পরন্ত আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন পরিষ্কার করে পূর্ব্বর্তি নবীগণ ও কিয়ামত এর প্রতি বিশ্বাস করতে হলা হয়েছে।
এই সকল এর উপর পূর্ণ ঈমান যারা আনবে তাদের ব্যাপারে পরের আয়াতে বলেছেনঃ
“তারাই নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে সুপথ প্রাপ্ত, আর তারাই যথার্থ সফলকাম।”
এবার ভাবুনত এখানে ইসলাম কে কঠিন করা হয়েছে নাকি সহয?
অনেক সহজ ইসলামকে কঠিন করেছে যারা ইসলাম নিয়ে দলা দলি করে তাঁরা ।

এবার আল্লাহ্‌ কাফের এর ব্যাপারে বলেছেন যেঃ
“নিশ্চিতই যারা কাফের হয়েছে তাদেরকে আপনি ভয় প্রদর্শন করুন আর নাই করুন তাতে কিছুই আসে যায় না, তারা ঈমান আনবে না। ” [২/৬]
ঐ সমস্থ সকল কিছুর উপর যারা ঈমান একদম আনে নি তাঁরা নিশ্চিত কাফের হয়েছে; তাদের কে বুঝালেও বুঝ নিবে না;

যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে না; জান্নাত ও জাহান্নাম এর উপর ঈমান আনে না; ফেরেশতাদের উপর ঈমান আনে না; তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ বলেনঃ
“আল্লাহ তাদের অন্তকরণ এবং তাদের কানসমূহ বন্ধ করে দিয়েছেন, আর তাদের চোখসমূহ পর্দায় ঢেকে দিয়েছেন। আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। ঃ [২/৭]

এরপরের আয়াতে মোনাফিকের চরিত্র আল্লাহ্‌ তুলে ধরেছেনঃ

“আর মানুষের মধ্যে কিছু লোক এমন রয়েছে যারা বলে, আমরা আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি অথচ আদৌ তারা ঈমানদার নয়। ”
আমরা যদি লক্ষ করি তাহলে আমরাও তাদের চিনতে পারবঃ
তাঁরা খুব আল্লাহ্‌ ভক্ত; অথচ নামায আদায় করেনা; খুব নবী ওয়ালা কিন্তু দাড়ি নেই আবার বিড়ি টানে। কথা বললে মিথ্যা বলবে; ইত্যাদি।

তাঁরা যখন কথা বলে মনে হবে আল্লাহর এক আওলিয়া; তাদের কথা অনেক সুন্দর
তাদের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ বলেনঃ
“তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না। ” [২/৮]
নামায এর কথা বললে তাঁরা বলবে; যাও আমি আসছি; রুযার কথা বলবেন ইনশাল্লাহ রাখব রাখব; এরা মনে করে মুমিনদের ধুকা দিচ্ছে ধুকা কাদের দিচ্ছে তা টের পাবে শেষ বিচার এর দিন;
সেটাই আল্লাহ্‌ বলেছেন পরবর্তি আয়াতেঃ

“তারা আল্লাহ এবং ঈমানদারগণকে ধোঁকা দেয়। অথচ এতে তারা নিজেদেরকে ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না অথচ তারা তা অনুভব করতে পারে না।”[২/৯]
যেহেতু তাঁরা মিথ্যা বলে; কথা মত কাজ করে না; আল্লাহ্‌ তাদের ব্যাপারে আরও বলেন যে;
“তাদের অন্তঃকরণ ব্যধিগ্রস্ত আর আল্লাহ তাদের ব্যধি আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ আযাব, তাদের মিথ্যাচারের দরুন। “[২/১০]

কুরআন এর আয়াত নিয়ে কোন দলের পক্ষে ফিট করবেন না;
যদি কারর বিপক্ষে যায় তাহলে তাকে চেঞ্জ হতে হবে; কুরআন এর আয়াত কে স্কীপ করার কোন সুযুগ নাই।
আল্লাহ্‌ আমাদের ক্ষমা কর ও সরল পরিচালিত করুন আমিন ইয়া রব্বুল আলামিন।

Leave a Reply

Close Menu