শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল

নবজাতক: প্রথম গোসল কখন করানো উচিত?

নবজাতক: প্রথম গোসল কখন করানো উচিত?

আপনার নবজাতকটি যদি পূর্ণকালীন এবং সুস্থতার সহিত জন্মগ্রহণ করে, তাহলে আপনি আপনার নবজাতককে আপনার খুশিমতো যত তাড়াতাড়ি ইচ্ছা তার প্রথম গোসলটা হালকা গরম পানি দিয়ে করিয়ে দিতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই নবজাতকটি জন্মের কমপক্ষে ১ ঘন্টা পর এবং খুবই স্বল্প সময়ের মধ্যে (৫-১০ মিনিটের বেশি নয়) গোসলের কাজ শেষ করতে হবে।
আপনার বাচ্চার প্রথম গোসলের জন্য তার নাভিরজ্জু(umbilical cord stump) শুকানো বা ঝরে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার নাই। কারণ গোসলের কারণে আপনার বেবির নাভিতে ইনফেকশন বা নাভি শুকানোও বাধাগ্রস্থ হবে না। তবে WebMD এর বিশেষজ্ঞদের মতে, নবজাতকের নাভিরজ্জু না ঝরা অব্দি আপনি গোসলের পরিবর্তে স্পঞ্জ গোসল অথবা ভেজা ন্যাকড়া দিয়েও আপনার শিশুর সারা শরীর ভালোভাবে মুছে দিতে পারেন।

প্রথমদিকে
নবজাতককে গোসল করানোটা আপনার কাছে একটু কঠিন বা ভীতিকর মনে হতে পারে। এসময়টাতে নিজেকে তাই শান্ত রাখার চেষ্টা করবেন এবং আপনার নবজাতককে গোসলের সময়ে ও গোসলের পরে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখবেন। এছাড়া বেবিকে গোসল করানোর সময় কাউকে পাশে রাখুন যেন আপনি কোনোকিছু নিতে ভুলে গেলে বা যেকোনো সমস্যায় সে আপনাকে তৎক্ষণাৎ সাহায্য করতে পারে।

আপনার নবজাতককে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে সপ্তাহে ২/৩ বার গোসল করানোই যথেষ্ট। অবশ্য আপনি চাইলে আপনার বেবিকে প্রতিদিনই গোসল করাতে পারেন, তাতেও কোনো সমস্যা নাই । গোসলের সময়, আপনার শিশুর মুখমন্ডল নিয়মিত ধুয়ে দিবেন, তার প্রাইভেট পার্ট ভালো করে পরিষ্কার করবেন( প্রতিবার ন্যাপি পরিবর্তনের পরও)।

আপনার এলাকার পানি যদি খরপানি হয়, তবে মনে রাখবেন প্রথম মাসে বা তার পরেও সেই পানি আপনার শিশুর ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে এবং ত্বকের অন্যান্য ক্ষতিও করতে পারে। আপনার বাচ্চার ত্বককে রক্ষা করার জন্য এক্ষেত্রে পানির সাথে অল্প পরিমানে বাচ্চাদের ব্যবহার উপযোগী তরল ক্লিনজার বা গোসলের ময়েশ্চারাইজার মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

তবে সাবধান!
ময়েশ্চারাইজার ব্যাবহারে আপনার শিশুর শরীর অনেকটা পিচ্ছিল থাকবে, খুব সতর্কতার সাথে বাচ্চাকে ধরবেন যেন পরে না যায়।


Source: babycentre

Leave a Reply

Close Menu