ইস্তেহাযা ও নিফাস (মাসিক) নারী হায়েয

নারীদের হায়েজ ও নেফাস কী এবং কেন এমনটা হয়?

হায়েজ ও নেফাসের সময় স্ত্রী সহবাস হারাম। এ ছাড়া একসাথে খানাপিনা করা, এক বিছানায় শুয়ে থাকা ইত্যাদি জায়েজ আছে। হায়েজ কাকে বলে: বালিগ হওয়ার পর স্বভাবগতভবে নারীদের জরায়ু থেকে বিভিন্ন রোগব্যাধির কারণ ব্যতিরেকে স্বাভাবিক নিয়মে যে রক্ত নির্গত হয়, একে ইসলামী শরীআতের পরিভাষায় হায়েজ বলে। [শরহে বেকায়া, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা-১০৮] হায়েজ কখন হয় এবং কতদিন: হায়েজ […]

Continue Reading
ইস্তেহাযা ও নিফাস (মাসিক) হায়েয

অনিয়মিত মাসিক সমস্যার সমাধান – মেয়েদের মাসিক সমস্যা

অনিয়মিত মাসিক সমস্যার সমাধান – মেয়েদের মাসিক সমস্যা বয়ঃসন্ধিকালে তথা যৌবন আগমনের শুরুতে প্রত্যেক নারীরই মাসিক বা ঋতুস্রাব হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই মাসিক সবার ক্ষেত্রে নিয়মমত নাও হতে পারে। আবার নিয়মিত হলেও সমস্যাযুক্ত হতে পারে। আমাদের আজকের এই ফার্স্ট লাইফে স্টেস বা টেনশন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলশ্রুতিতে প্রবল স্নায়ু চাপ, হরমোনের অসমতা ইত্যাদির ফলে […]

Continue Reading
ইস্তেহাযা ও নিফাস (মাসিক)

নিফাস-(মাসিক)

নিফাস-(মাসিক) নারীর জরায়ু থেকে সন্তান প্রসবের কারণে যে রক্ত বের হয়। নিফাসের সময়সীমা নিফাসের সর্বনিম্ন সুনির্দিষ্ট সময় বলতে কিছু নেই। তবে সর্বোচ্চ সময় হলো চল্লিশদিন। তবে যদি নারী এর পূর্বে পবিত্রতা দেখে তবে গোসল করবে ও নামাজ আদায় করবে। নিফাসের আহকাম ১- প্রসবের পর যদি রক্ত দেখা না যায় – এরূপ অবশ্য খুব কমই ঘটে […]

Continue Reading
ইস্তেহাযা ও নিফাস (মাসিক)

হায়েয, ইস্তেহাযা ও নিফাস (মাসিক)

হায়েয, ইস্তেহাযা ও নিফাস (মাসিক) আভিধানিক অর্থে হায়েয কোনো কিছু প্রবাহিত হওয়া শরীয়তের পরিভাষায় হায়েয নারীর সুস্থ জরায়ু থেকে সুনির্দিষ্ট সময়ে, কোনো কারণ ব্যতীতই যে রক্তস্রাব বের হয় তাকে হায়েয বলে। হায়েযের রক্তস্রাবের ধরণ কালো, যেন তা পুড়ে-যাওয়া কৃষ্ণ কোনো পদার্থ, কষ্টদায়ক, দুর্গন্ধযুক্ত, এবং এ সময় নারী প্রচন্ড তাপ অনুভব করে। হায়েয শুরু হওয়ার বয়স […]

Continue Reading
Back To Top