Mon. Sep 23rd, 2019

মাদবর

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে, ইসলামকে জানি নিজের ভাষায়

স্বামীকে নৈকট্য দাও

স্বামীকে নৈকট্য দাও।


যথাসম্ভব ছায়ার ন্যায় স্বামীর কাছাকাছি থাকবে। ‘স্বামি-সুখে বনবাস’ ভাল।

স্বামীকে খেতে দিয়ে সুযোগ হলে তাঁর সাথে খাবে। সুযোগ না হলে তাঁর কাছে বসবে।

খাবার দিয়ে অন্য রুমে অথবা অন্য দিকে মুখ করে অথবা টিভি ইত্যাদি দেখতে ব্যস্ত হয়ে যাবে না।

এ ব্যাপারে সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ স্বামী মহানবী (সাঃ) বলেন, “মহিলা যদি নিজ স্বামীর হক (যথার্থরূপে) জানতো, তাহলে তাঁর দুপুর অথবা রাতের খাবার খেয়ে শেষ না করা পর্যন্ত সে (তাঁর পাশে) দাঁড়িয়ে থাকতো।”( ত্বাবারানী, সহীহুল জামে’ ৫২৫৯ নং)

সুতরাং খাবার দিয়ে তাকে যত্মের সাথে খাওয়াবে, প্রয়োজন হলে পাখা করে দেবে, পানি ঢেলে দেবে, কিছু লাগবে কি না জিজ্ঞাসা করবে। এমনও হতে পারে যে, তোমার স্বামী ব্যস্ত আছে, আর তুমি তাঁর খাবার নামিয়ে দিয়ে তাকে সতর্ক না করে কার্যান্তরে চলে গেছ। তারপর খাবার ঠান্ডা হয়ে গেছে অথবা বিড়ালে মুখ দিয়ে ফেলেছে।

অতঃপর তোমাকে বলা তুমি প্রকাশ্যে অথবা মনে মনে বল, ‘মেহমান নাকি যে, খেতে দিতে হবে। আবার খাওয়ার জন্য খোশামদিও করতে হবে!’ কারণ, এ হল তাঁর প্রতি তোমার অবজ্ঞার পরিচয় যে, সে খেল আর না খেল, তোমার কর্তব্য তো আদায় হয়ে গেছে মনে করে অবহেলা প্রদর্শন করবে! আর জেনে রেখো, তোমার যত রকমের মেহমান আছে, সবার চাইতে সে বড় মেহমান। যেহেতু সে তোমার বেহেশ্ত অথবা দোযখ।

অনেক মহিলার স্বামী ঘেঁসটা পড়ে গেলে তাকে নিজের কাছ ঘেসতে দেয় না।

স্বামীর মনে সেই নৈকট্য – লালসা থাকলেও সে তাকে পাত্তা দেয় না। ছেলে-মেয়ে বা জামাই ইত্যাদির ওজর দেখিয়ে দূরে দূরে থাকে। এটাই যেন তাঁর ধর্ম, এটাই যেন তাঁর কর্তব্য। যেহেতু নিসায়ী হাদীসে তাঁর শোনা আছে, ‘স্বামী দিনের ভাশুর, রাতের পুরুষ’।

স্বামী নিজে থেকে তাঁর নিকট হতে চাইলেও এরই উপর আমল করে সে বলে, ‘বুড়ো বয়সে দুধ-তোলার রোগ’। স্বামীকে ‘বুড়ো’ বলে হেনস্তা করে, অথচ সে জানে না যে, সেই হল অশীতিপর বুড়ি!

Copyright © All rights reserved. | Newsphere by AF themes.