শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল

স্বামীর মন ভরে দাও

দর্শনে, শ্রবনে, সুগন্ধে, পারিপাট্যে স্বামীর মন ভরে দাও। ভরা সংসারে কাজের চাপে থাকলেও তাতে মোটেই অবহেলা করো না।

তোমাদের বন্ধন তো পরিপক্ক শরয়ী বন্ধন বটেই। তাঁর উপরে আছে প্রেমের বন্ধন।

আর এই বন্ধনের জন্য চাই নিরন্তর আকর্ষণ। আকর্ষণের জন্য আকর্ষণীয় কিছু ব্যবহার করা অবশ্যই কর্তব্য।

বাড়িতে বেগানা না থাকলে সর্বদা সুসজ্জিত থাক, আতর ব্যবহার কর, ঘর-বাড়ি; বিশেষ করে শোবার রুম সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখ। আর বাড়ীতে বেগানা কেউ থাকলে নিজেকে সুরভিতা ও সুসজ্জিতা করা হতে দূরে থাক। অবশ্য রাত্রে স্বামীর রুমে তা করতে পার। তাতে আনন্দ আছে, তোমার মনে এবং তাঁর মনেও।

‘সেথা কামিনীর নয়নে কাজল, শ্রোণীতে চন্দহারা,

চরণে লাক্ষা, ঠোঁটে তাম্বুল, দেখে মরে আছে মার!

তুমি অবশ্যই চাও, তোমার স্বামী কেবল তোমার প্রতিই আকৃষ্ট থাক, তাঁর মন-প্রাণ তোমারই হৃদয়ে মাঝে সীমাবদ্ধ থাক। নিশ্চয় তুমি চাও, তুমি আদর্শ স্ত্রী হবে। আর তাহলেই তোমার গুণ হল তোমার প্রকৃতির অনুকূলই। মহানবী (সাঃ) বলেন, “শ্রেষ্ঠা রমণী সেই, যার প্রতি তাঁর স্বামী দদৃকপাত করলে সে তাকে খোশ করে দেয়, কোন আদেশ করলে তা পালন করে এবং তাঁর জীবন ও সম্পদে স্বামীর অপছন্দনীয় বিরুদ্ধাচরণ করে।”(সিলসিলাহ সহীহাহ ১৮৩৮)

একদা মহানবী (সাঃ) –কে জিজ্ঞাসা করা হল যে, কোন মহিলা সবচেয়ে ভাল? উত্তরে তিনি বললেন, “মহিলার প্রতি তাঁর স্বামী তাকালে সে তাকে খোশ করে দেয়, আদেশ করলে পালন করে এবং সে তাঁর নিজের ব্যাপারে এবং স্বামীর সম্পদের ব্যাপারে তার অপছন্দনীয় বিরোধিতা করে না।”(আহমাদ, নাসাঈ)

মনে রেখো যে, স্বামী সর্বদা ক্যামেরা-ম্যানের মত। স্ত্রীর নিকট থেকে সব সময়ই মুচকি হাসি দেখতে চায়।

আকর্ষণময়ী পূর্ণিমার চাঁদ সদৃশ বোনটি আমার! তোমার দেহ-সৌন্দর্যের আকর্ষণে তোমার স্বামীর মন-সমুদ্রে জোয়ার আনয়ন কর। সদা প্লাবিত থাক তোমাদের সুখের সৈকত।

Close Menu