শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল

ঠোঁট কাটা হয়ো না।


কিছু মানুষ আছে ঠোঁট কাটা। কোন বিষয়ে কুমন্তব্য করতে তারা বড় ওস্তাদ। এরা কিন্তু স্পষ্টভাষী নয়; বরং এক শ্রেণীর অভদ্র ও অশ্লীলভাষী। যেমনঃ-

‘মেয়ে’ না বলে, ‘মাগী’ বলে, ‘স্ত্রী’ না বলে, ‘মাগ’ বলে।

কাউকে অসুস্থ দেখে বলে, ‘মরার সময় হয়েছে।’

কারো পাকা চুল দেখে, ‘বুড়ো হয়ে গেছে।’

‘তোমার ভাই হয়েছে’ না বলে, ‘তোমার মায়ের ছেলে হয়েছে।’

‘তোমার বয়স হয়েছে’ না বলে, ‘তুমি কবরে পা ঝুলাতে চললে।’

‘অমুক মরেছে, না বলে, ‘অমুক পটল তুলেছে।’ ইত্যাদি।

অবশ্য কাউকে মজাক করে বললে কথা স্বতন্ত্র। তবুও খেয়াল রাখতে হবে,

যাতে কেউ মনে আঘাত না পায়। মহান আল্লাহ বলেন,

হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সঠিক কথা বল। (সূরা আযহাব-আয়াত ৭০)

অনেকে অনেককে নানা ভঙ্গিমায় ব্যঙ্গ ও কটাক্ষ করে কথা বলে। অথচ তাতে মনে মনে ঘৃণা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়। সম্প্রীতি নষ্ট হয়। এই জন্য মহান আল্লাহ বলেন,

হে বিশ্বাসিগণ! একদল পুরুষ যেন অপর একদল পুরুষকে উপহাস না করে;

কেননা যাদেরকে উপহাস করা হয় তারা উপহাসকারী দল অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং একদল নারী যেন অপর একদল নারীকেও উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হয় তারা উপহাসকারিণী দল অপেক্ষা উত্তম হতে পারে। আর তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না; কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাকে মন্দ নামে ডাকা গর্হিত কাজ। যারা (এ ধরনের আচরণ হতে) নিবৃত্ত না হয় তারাই সীমালংঘন কারী।(সূরা হুজুরাত-আয়াত ১১)

Close Menu