শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল

দ্বীনদার হও

‘আর ঘুমায়ো না মন, মায়া ঘোরে কতদিন রবে অচেতন?’

ভোগবাদিনী সুখ-বিলাসিনী বোনটি আমার! এখনো যদি দ্বীন মানার ব্যাপারে তোমার মনে কোন প্রকার অনীহা বা অবজ্ঞা থাকে, তাহলে সাবধান হয়ে যাও।

তোমার প্রত্যেক কর্মে তুমি দ্বীনদারী ও পরদা-পরহেযগারীর খেয়াল রাখ।

নামায-রোযা ছাড়াও দ্বীনের অনেক কিছু আছে, যা হয়তো তুমি জানো না অথবা মানো না, সেগুলি শিক্ষা করে পালন করার চেষ্টা কর। কুরআন পড়, তাঁর অর্থ পড়।

হাদীস পড় এবং সবকিছু মানার চেষ্টা কর। দ্বীন ও আল্লাহর জিকির থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে তুমি এ জগতেও আসল সুখ পাবে না। পরন্ত শয়তান তোমার সাথী হবে।

মহান আল্লাহ বলেন,

যে আমার স্মরণ থেকে বিমুখ হবে, অবশ্যই তাঁর হবে সংকীর্ণতাময় জীবন এবং আমি তাকে কিয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উঠাবো।( সূরা ত্বাহা-আয়াত ১২৪)

যে ব্যক্তি তাঁর প্রতিপালকের আয়াত সমূহ দ্বারা উপদেশ প্রাপ্ত হয় অতঃপর তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, তাঁর অপেক্ষা অধিক সীমালংঘনকারী আর কে? আমি অবশ্যই অপরাধীদের নিকট থেকে প্রতিশোধ গ্রহন করব।( সুরা-সাজদাহ-আয়াত ২২)

যে ব্যক্তি পরম দয়াময় আল্লাহর স্মরণে উদাসীন হয় তিনি তাঁর জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করেন, অতঃপর সে হয় তাঁর সহচর।( সুরা-যুখরুফ-আয়াত ৩৬)

আর মানুষের চিরশত্রু শয়তান কি তোমাকে তোমার সংসারে সুখ দেবে ভেবেছ?

এবারে দ্বীনহীন কিছু মহিলার উক্তি শোনোঃ-

‘অত কি মানা যায় নাকি? ওরা মানে নাকি?’ ‘কবরে কি হবে, ওরা দেখে ওসেছিল।’

‘যত দোষ মেয়েদের।’

এক মহিলা হাস্পাতালে যাচ্ছিল। স্বামী যাচ্ছিল পায়জামা পড়ে। সে বলল, ‘প্যান্ট পরে গেলে আমার সঙ্গে চল, না হলে যেয়ো না।’

‘মোছ-ওয়ালা অসুবিধা নেই, দাড়ি-ওয়ালা বিয়ে করব না’! অবশেষে দাড়ি না চেঁছে বিয়ে হল না এক ভদ্রলোকের।

এক মুরুব্বী মহিলা এক যুবতীকে বলল, ‘এই তুই এত ট্যাং ট্যাং করে বেড়াচ্ছিস কেন?’লোকে কি বলবে?’ সে উত্তরে বলল, ‘কেন?’ আমি কারো বাপের বউ নাকি?’

অর্থাৎ, বিয়ের আগে মহিলা স্বাধীন।

অনেক সময় চলার পথে নিজেকে একাকিনী মনে হবে। হয়তো বা দেখবে, কেউ তোমার সাথ দিচ্ছে না। কেউ বা অর্ধেক পথ গিয়ে কেটে পড়ছে। এমনকি দেখবে, অমুক ভালো মেয়ে। কিন্তু পরবর্তীতে শুনবে, সেও অসম্পূর্ণ। ‘ভালো ভালো করে গেলাম কেলোর মার কাছে, কেলোর মা বলে আমার জামা’র সঙ্গে আছে!’

কিন্তু তোমাকে পথ চলতে হবে। পৌছতে হবে গন্তব্য স্থলে।

Close Menu