শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল

নিজ হাতে স্বামীর খিদমত কর।

স্বামীর ঘর সংসার পরিস্কার – পরিচ্ছন্ন রাখো, নিজের হাতে স্বামীর খিদমত কর, সাংসারিক কাজ কর্ম কর। এটাই হল আদর্শ রমণীর পরিচয়।

“আত্মহারা না হইয়া সৌভাগ্য সোহাগে পরন্ত যে করে কাম স্বকরে যতনে,
পরিজন প্রীতি হেতু প্রেম অনুরাগে
আদর্শ রমণী সেই যথার্থ ভূবনে”।
“বিলাসিনী যে রমণী গৃহস্থালি কার্য
সম্পাদন আপন ভাবিয়া না করে,
হউক তাহার পতি রাজ-অধিরাজ
অধমা সে নারী এ সংসার ভিতরে”।

চালাক স্ত্রী বোনকে স্বামীর খিদমতে লাগায় না, দাসী রাখে না। পর রেখে ঘর নষ্ট করে না; গড়বড়কে ভয় করে। ফাতেমা দাসী চাইলে মহানবী (সাঃ) তাকে তা দিলেন না।

বরং তাকে নিজের হাতেই সকল কাজ করতে নির্দেশ দিয়ে তাঁর সহযোগিতায় আধ্যাত্মিক পথ্য দান করলেন এবং বললেন, “ যখন তোমরা শয়ন করবে তখন ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’ ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ এবং ৩৩ বার ‘আলহামদু লিল্লাহ’ পড়বে। এটা তোমাদের জন্য খাদেম থেকেও উত্তম হবে!” (মুসলিম ২৭২৭ নং)

অতএব যে কাজ একান্তই তোমার দ্বারা সম্ভব নয়, সে কাজ সাময়িকভাবে দাসী রেখে করাতে পার। বাকী একান্ত নিজের কাজ নিজ হাতেই সম্পয়াদন কর, সুখ পাবে।

আর ‘রাঁধার পড়ে খাওয়া আর খাওয়ার পড়ে রাধা’ সারা জীবন একই সূত্রে বাঁধা থেকে অন্য কর্তব্যে ক্রটি করো না। সংসারের কাজের ফাঁকে আল্লাহর কাজ ও দাওয়াতের কাজ ভুলে যেয়ো না।

Close Menu