শুরু করছি আল্লাহ্‌র নামে যিনি পরম করুনাময় অতি দয়ালু, মেহেরবান ও ক্ষমাশীল
ইসলাম

ইসলাম

ইসলাম (আরবি:আল-ইসলাম,[ ] [الإسلام‎‎] রোমান হরফে:al-Islām [____])
একটি একেশ্বরবাদী এবং ইব্রাহিমীয় ধর্মবিশ্বাস যার মূল শিক্ষা হল,

এক আল্লাহ ছাড়া আর কোন ঈশ্বর নেই এবং মুহাম্মদ হলেন আল্লাহর প্রেরিত নবী ও রাসূল।[১][২][৩]
এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল প্রধান ধর্ম,[৪][৫] যার অনুসারী সংখ্যা ১.৯ বিলিয়ন এবং পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ২৪.৪ %,যারা মুসলমান নামে পরিচিত।[৬][৭]
মুসলমানরা ৫০ এর অধিক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমষ্টি।[৪]
ইসলাম শিক্ষা দেয় যে আল্লাহ দয়ালু, করুনাময়,এক,অদ্বিতীয়, এবং একমাত্র আরাধনাযোগ্য অভিভাবক।[৮] মানবজাতীকে পথ প্রদর্শনের জন্য তিনি যুগে যুগে অনেক নবী-রাসূল,আসমানী কিতাব এবং নিদর্শন পাঠিয়েছেন ।[৯] ইসলামে প্রধান ধর্মগ্রন্থ হল কুরআন যা স্বয়ং আল্লাহর বানী; আর নবী (সাঃ)(২৯ আগষ্ট ৫৭০- ৮ জুন ৬৩২) এর প্রদত্ত শিক্ষা,পদ্ধতি, জীবনাদর্শকে সুন্নাহ বলা হয় যা হাদীস নামে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

ইসলামী ধর্মগ্রন্থে বলা হয়েছে যে,এটি একটি দ্বীন, একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা, মানুষের চিরন্তন ধর্ম, একমাত্র সার্বজনীন সত্য ধর্ম। ইসলামী ধর্মমত অনুযায়ী, যুগে যুগে আদম,ইব্রাহিম,মূসা,ঈসা সহ সকল রাসূলগণের উপর যেসব আসমানী কিতাব অবতীর্ন হয়েছিল, মূল আরবি কুরআন হল তারই সর্বশেষ, পূর্নাঙ্গ, অপরিবর্তীত চূড়ান্ত সংস্করণ।[১০][১১][১২][১৩]

অন্যান্য ইব্রাহিমীয় ধর্মের মত ইসলামও শেষবিচারের শিক্ষা দেয় যেখানে সৎকর্মশীলরা পুরষ্কারস্বরূপ জান্নাত পাবে আর পাপীরা জাহান্নামের সাজা পাবে।[১৪][১৫] ধর্মীয় কর্মকান্ডের মধ্যে অন্যতম হল ইসলামের পঞ্চস্তম্ভ,যা পালন করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যকীয় কর্তব্য । তাদেরকে ইসলামী আইন’ও (শরীয়াহ্) মেনে চলতে হয়, যা প্রকৃতপক্ষে সমাজ ও জীবনের সকল ক্ষেত্র ও যাবতীয় কার্যকলাপকে নির্ধারণ করে দেয় । ব্যাঙ্কিং থেকে দান-ছদকাহ্, নারী থেকে পরিবেশ সবই এর অন্তর্গত।[১৬][১৭][১৮]মক্কা,মদিনা ও জেরুসালেম ইসলামে সবচেয়ে সম্মানিত ও পবিত্র তিন শহর।[১৯]

যদিও এর উৎপত্তি সমন্ধে মুসলমানরা ধর্মতত্ত্বীয়গতভাবে আলাদা ধারনা পোষণ করে,[২০][২১][২২] তবে ইতিহাসগতভাবে এর উৎপত্তি ৭ম শতকের শুরুতে মক্কায়,[২৩] এবং ৮ম শতক নাগাদ উমাইয়া খিলাফত পশ্চিমে ইবেরিয়া (স্পেন) থেকে পূর্বে সিন্ধু নদ পর্যন্ত বিরাট অঞ্চল জুড়ে সম্প্রসারিত হয়। ৮ম থেকে ১৩ শতককে ঐতিহ্যগতভাবে ইসলামী স্বর্নযুগ বলা হয়। ঐতিহাসিকভাবে আব্বাসীয় খিলাফতের আমলে মুসলিম বিশ্ব বৈজ্ঞানিক,অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে উন্নতির শীর্ষে ছিল।[২৪][২৫][২৬] ইসলামের প্রসার ঘটেছে মূলত ধর্মপ্রচার এবং রাজ্যজয়ের মাধ্যমে। রাজ্যজয়গুলো ঘটেছিল আলাদা আলাদা সম্রাজ্যের দ্বারা যেমন উসমানীয় সম্রাজ্য, আর ধর্মান্তরিতকরন ঘটেছিল ইসলামী ধর্মপ্রচার কার্যক্রমের (দাওয়াত) মাধ্যমে।[২৭]

প্রায় সব মুসলমান দুইটি প্রধান সম্প্রদায়ের অন্তর্গত,সুন্নি (৭৫-৯০%) অথবা শিয়া (১০-২০℅)।[২৮] সর্ববৃহৎ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশীয়া,বিশ্বের সমগ্র মুসলমানের ১৩%’ই এখানে বাস করেন।[২৯] বিশ্বের সমগ্র মুসলমানের ৩১%’ই বাস করেন দক্ষিন এশিয়ায়,[৩০] মুসলমান জনগোষ্ঠীর বড় অংশটাই এখানে।[৩১] মধ্যপ্রাচ্য-উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে বাস করেন ২০% [৩২] এবং এটি এ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান ধর্ম।[৩৩] ১৫% বাস করেন সাহারা-নিম্ন আফ্রিকাতে।[৩৪] এছাড়াও উল্লেখযোগ্য পরিমান মুসলমান সম্প্রদায় দেখা যায় আমেরিকা,ককেশাস,মধ্য এশিয়া,চীন,ইউরোপ,ইন্দোচীন,ফিলিপাইন ও রাশিয়াতে। [৫][৩৫]

  1.  আল-হক্কানী, শায়েখ মুহাম্মদ নাজিম আদিল; কাব্বানি, শায়েখ মুহাম্মদ হিশাম (২০০২)। মুহাম্মদ, ইসলামের বার্তাবাহক: তার জীবন ও ভবিষ্যতবানী (ইংরেজী ভাষায়)। আই এস সি এ। পৃষ্ঠা x। আইএসবিএন 978-1-930409-11-8। [আল্লাহ তার বানী পাঠিয়েছেন অনেক রাসূলের মাধ্যমে] তারমধ্যে রয়েছেন নূহ,ইব্রাহীম, মূসা,ঈসা এবং আমাদের শেষ নবী মুহাম্মদ। […]
  2.  জন এল. স্পোছিতো (২০০৯)। “ইসলাম।রূপরেখা”। জন এল. স্পোছিতো। দ্য অক্সফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অব দ্য ইসলামিক ওয়ার্ল্ড (ইংরেজী ভাষায়)। অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। doi:10.1093/acref/9780195305135.001.0001। আইএসবিএন 9780195305135। মূল বিশ্বাস […] ইসলামের পরম একত্ববাদে বিশ্বাস স্থাপন ও মুহাম্মদকে ঈশ্বরের শেষ নবী ও বার্তাবাহক বলে স্বীকার করা নেওয়া
  3.  এফ. ই পিটার্স (২০০৯)। “আল্লাহ্”। জন এল. স্পোছিতো। দ্য অক্সফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অব দ্য ইসলামিক ওয়ার্ল্ড (ইংরেজী ভাষায়)। অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। doi:10.1093/acref/9780195305135.001.0001। আইএসবিএন 9780195305135। মুসলমানদের আল্লাহ সমন্ধে জ্ঞানের ভিত্তি হল […] কুরআন তাফসীরের দেয়া সাক্ষী । আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়,সৃষ্টিকর্তা, সার্বভৌম এবং মানবজাতীর বিচারকর্তা।আল্লাহই তাই নিজ ক্ষমতাবলে এই মহাবিশ্ব,প্রকৃতিকে চালিত করেন এবং যুগে যুগে রাসুলগন পাঠিয়ে মানবজাতীকে পথ প্রদর্শন করিয়েছেন। আর তার নবীগন ;আব্রাহাম, মোজেস, জিসাস এবং মুহাম্মদ কে দিয়ে প্রতিষ্ঠা করিয়েছেন তার পছন্দনীয় কিছু সম্প্রদায়, “আহলে কিতাব”।
  4. ↑ ঝাঁপ দাও:  “বিশ্ব ধর্ম” (ইংরেজী ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০১৯। ২৩ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০১৯
  5. ↑ ঝাঁপ দাও:  “দেশ অনুসারে মুসলিম জনসংখ্যা”। বৈশ্বিক মুসলিম জনসংখ্যার ভবিষ্যৎ (ইংরেজী ভাষায়)। পিউ রিসার্চ সেন্টার। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১১ তারিখে মূলথেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১১
  6.  যারা মুসলমান নামে পরিচিত।
  7.  অক্সফোর্ড অভিধান অনুসারে ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ জুলাই ২০১৬ তারিখে, ” ‘ইসলাম ধর্মের অনুসারী’ বোঝানোর জন্য মুসলিম শব্দটিই সবচেয়ে প্রচলিত। কখনো কখনো মোসলেম ও ব্যাবহৃত হয়।”
  8.  ক্যাম্পো, জুয়ান এডোয়ার্ডো (২০০৯)। “আল্লাহ”। এনসাইক্লোপিডিয়া অব ইসলাম (ইংরেজী ভাষায়)। ইনফোবেস পাবলিশিং। পৃষ্ঠা 34। আইএসবিএন 978-1-4381-2696-8
  9.  İbrahim Özdemir (২০১৪)। “পরিবেশ”। ইব্রাহীম কালিন। অক্সফোর্ড বিশ্বকোষ, ইসলামে দর্শন,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইংরেজী ভাষায়)। অক্সফোর্ড: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। doi:10.1093/acref:oiso/9780199812578.001.0001। আইএসবিএন 9780199812578। যখন মক্কার পৌত্তলিকরা আল্লাহর অস্তিত্বের স্বপক্ষে কোন প্রমান, চিহ্য বা অলৌকিক কিছু দেখতে চেয়েছিল কুরআন তখন তাদের দৃষ্টিকে প্রকৃতির জটিলতা,সূক্ষতা ও শৃঙ্খলার দিকে ঘুরিয়ে দিল। একারনেই কুরআনের প্রথম দিকের আয়াতগুলোতে আমন্ত্রন জানিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া হয়েছে যে আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যকার দৃৃশ্যমান প্রকৃতির মধ্যে কেউ যেন পারলে একটি খুঁতও খুঁজে বের করে দেখাক। […]এভাবেই কুরআন পরিষ্কার করে দিয়েছে যে সৃষ্টির সবকিছুই আসলে ঈশ্বরের অলৌকিকত্বের নিশানা (আয়াত) আর আমন্ত্রন জানিয়েছে তাকে খুঁজতে।
  10.  “পিপল অব দ্য বুক”। ইসলাম: এম্পায়ার অব ফেইথ (ইংরেজী ভাষায়)। পি বি এস। ২০১১-০৬-২৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-১২-১৮
  11.  রিভস্, জে.সি. (২০০৪)। বাইবেল অ্যান্ড কুরআন:এছেই’স ইন স্ক্রিপ্টুয়্যাল ইন্টারটেক্সুয়্যালিটি (ইংরেজী ভাষায়)। লেইডেন: ব্রিল। পৃষ্ঠা ১৭৭। আইএসবিএন 9-0041-2726-7
  12.  মঘুল, হারুন। “একটা ইহুদী ছুটির দিনকে কেন মুসলমানরা পালন করে” (ইংরেজী ভাষায়)। সি এন এন। ২০১৮-০২-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮
  13.  Bennett (2010, p. 101)
  14.  “পরকালবিদ্যা-অক্সফোর্ড ইসলামি শিক্ষা অনলাইন”। www.oxfordislamicstudies.com (ইংরেজী ভাষায়)। ২০১৭-০৭-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮
  15.  “স্বর্গ (জান্নাত)”। Al-Islam.org (ইংরেজী ভাষায়)। ২০১৬-০৪-২৬। ২০১৮-১১-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-২৮
  16.  Esposito (2002b, pp. ১৭)
  17.  Esposito (2002b, pp. ১১১–১১২, ১১৮)
    • “শরিয়াহ্”। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনলাইন (ইংরেজী ভাষায়)।
  18.  “ব্রিটিশ ও বিশ্ব ইংরেজী: শরিয়াহ”। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস (ইংরেজী ভাষায়)। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
  19.  ট্রপিমভ্, ইয়ারোস্লাভ (২০০৮), দ্য সিজ অব মক্কা:দ্য ১৯৭৯ আপরাইজিং অ্যাট ইসলাম’স হোলিয়েস্ট শ্রাইন (ইংরেজী ভাষায়), নিউ ইয়র্ক, পৃষ্ঠা 79, আইএসবিএন 978-0-307-47290-8
  20.  স্পোছিতো, জন এল (১৯৯৮)। ইসলাম:সরল পথ (৩য় সংস্করণ) (ইংরেজী ভাষায়)। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃষ্ঠা ৯,১২। আইএসবিএন 978-0-19-511234-4
  21.  Esposito (2002b, pp. 4–5)
  22.  পিটার্স, এফ.ই (২০০৩)। ইসলাম:ইহুদী ও খ্রিষ্টানদের জন্য একটি নির্দেশিকা (ইংরেজী ভাষায়)। প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃষ্ঠা 9। আইএসবিএন 978-0-691-11553-5
  23.  ওয়াট, উইলিয়াম মন্টোগোমারি (২০০৩)। ইসলাম অ্যান্ড দ্য ইন্টিগ্রেশন অব সোসাইটি (ইংরেজী ভাষায়)। সাইকোলজি প্রেস। পৃষ্ঠা 5। আইএসবিএন 9780415175876
  24.  জর্জ সাবিলা (১৯৯৪), আরবিয় জ্যোতির্বিদ্যার ইতিহাস:ইসলামী স্বর্নযুগে গ্রহতত্ব, পৃষ্ঠা . ২৪৫, ২৫০, ২৫৬–২৫৭. নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি প্রেস , আইএসবিএন ০-৮১৪৭-৮০২৩-৭.
  25.  কিং, ডেভিড এ. (১৯৮৩)। “মামলুক আমলে জ্যোতির্বিদ্যা”। আইসিস (ইংরেজী ভাষায়)। 74 (4): 531–555। doi:10.1086/353360
  26.  আল-হাসান, আহমেদ ওয়াই. (১৯৯৬)। “ষোড়শ শতকের পর ইসলামী বিজ্ঞানের পতনের কারনসমূহ”। শরিফা শিফা আল-আত্তাস। ইসলাম এবং আধুনিকতার চ্যালেঞ্জ, ইসলাম এবং আধুনিকতার চ্যালেঞ্জ: ঐতিহাসিক ও সমসাময়ীক প্রেক্ষিতঃ আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রারম্ভিকা, কুয়ালা লামপুর, ১-৫ আগষ্ট, ১৯৯৪ (ইংরেজী ভাষায়)। ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইসলামিক থট অ্যান্ড সিভিলাইজেশ্যন (আই এস টি এ সি)। পৃষ্ঠা 351–399। ২ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
  27.  দ্য প্রিচিং অব ইসলাম:আ হিস্ট্রি অব দ্য প্রোপাগেশন অব দ্য মুসলিম ফেইথ বাই স্যর থমাস ওয়াকার আর্নল্ড,পৃষ্ঠা ১২৫-২৫৮
  28.  “ম্যাপিং দ্য গ্লোবাল মুসলিম পপুলেশন: অ্যা রিপোর্ট অন দ্য সাইজ ডিস্ট্রিবিউশন অব দ্য ওয়ার্ল্ড’স মুসলিম পপুলেশন”। Pew Research Center (ইংরেজী ভাষায়)। অক্টোবর ৭, ২০০৯। ডিসেম্বর ১৪, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।
  29.  “সবচেয়ে বেশী মুসলিম জনসংখ্যার ১০ দেশ, ২০১০ থেকে ২০৫০”। পিউ রিসার্চ সেন্টার্স রিলিজিয়ন অ্যান্ড পাবলিক লাইফ প্রোজেক্ট (ইংরেজী ভাষায়)। ২০১৫-০৪-০২। ২০১৭-০২-০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০২-০৭
  30.  পিচিলিস, কারেন; রাজ, সিলভা জে. (২০১৩)। দক্ষিন এশিয়ার ধর্মগুলো:ঐতিহ্য এবং বর্তমান (ইংরেজী ভাষায়)। রুটলেজ। পৃষ্ঠা 193। আইএসবিএন 9780415448512
  31.  দ্য ডিপ্লোম্যাট, আখিলেশ পাল্লিলিমারি। “যেভাবে দক্ষিন এশিয়া বৈশ্বিক ইসলামকে বাঁচাবে”। দ্য ডিপ্লোম্যাট (ইংরেজী ভাষায়)। ২০১৭-০২-০৮ তারিখে মূলথেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০২-০৭
  32.  “মধ্যপ্রাচ্য-উত্তর আফ্রিকা”। পিউ রিসার্চ সেন্টার’স রিলিজিয়ন অ্যান্ড পাবলিক লাইফ প্রযেক্ট (ইংরেজী ভাষায়)। ২০০৯-১০-০৭। ২০১৭-০১-২৮ তারিখে মূলথেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-১৮
  33.  “অঞ্চল:মধ্যপ্রাচ্য-উত্তর আফ্রিকা”। বৈশ্বিক মুসলিম জনসংখ্যার ভবিষ্যৎ (ইংরেজী ভাষায়)। পিউ রিসার্চ সেন্টার। ২০১১-০১-২৭। ২০১৩-০৪-০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১১
  34.  “অঞ্চল: সাহারা নিম্ন আফ্রিকা”। বৈশ্বিক মুসলিম জনসংখ্যার ভবিষ্যৎ (ইংরেজী ভাষায়)। পিউ রিসার্চ সেন্টার। ২০১১-০১-২৭। ২০১৩-০৪-০৫ তারিখে মূলথেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১১
  35.  “রাশিয়ায় ইসলাম”। www.aljazeera.com (ইংরেজী ভাষায়)। ১১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া বাংলা

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Close Menu